কেন্দ্রীয় ওয়েবসাইট প্রথম পাতা
ভিজিট করুন আমার নতুন ও স্হায়ী ব্লগ www.alomoy.com/

পুরাতন বিচার বাদ দিয়ে যুদ্ধাপরাধের বিচার নতুন করে আবার গোড়া থেকে শুরু করতে হবে কারণ-

বিবিসির সাথে ব্যারিষ্টার আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন রিট্রায়ালের কথা। এর যুক্তি হচ্ছে-
১. বিবিসির সাথে আইনমন্ত্রী বলেছেন- নিরপেক্ষতার স্বার্থে নিজামুল হক নাসিম পদত্যাগ করেছেন। তারমানে যতদিন নিজামুল ছিলেন ততদিন বিচার নিরপেক্ষভাবে চলছিল না। তাই এমন অ-নিরপেক্ষ বিচারপতি যেখানে খোদ চেয়ারম্যান ছিলেন সেখানে পুরো প্রক্রিয়াই অস্বচ্ছভাবেই চলছিল। আরেকজন এসে এ অ-নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ার রায় ঘোষণা করতে পারেন না।
২. বিবিসির সাথে কামরুল ও শফিক বলেছেন ট্রাইবুনালের নিয়মেই আছে একজন চলে গেলেও আরেকজন এসে আগের স্টেজ থেকে শুরু করতে পারেন। কিন্তু দেখতে হবে 'একজন' কি জন্যে চলে গেলেন? আইনে বলা আছে স্বাভাবিক কারণে (যেমন মৃত্যু, অসুস্হতা ইত্যাদি)কারণে চলে গেলে। কিন্তু এখানে চলে যাবার কারণ আইনমন্ত্রীর ভাষায় অনিরপেক্ষতা যা আইন অনুযায়ী স্বাভাবিক নয়। ব্যারিস্টার মওদুদও তাই রিট্রায়ালের কথা বলেছেনClick this link...

৩. শফিক-কামরুল আরো বলেছেন যেকোন বিচারপতি যেকোন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতেই পারেন। ব্যারিষ্টার আব্দুর রাজ্জাকের ভাষায়- নিতে পারেন কিন্তু entire process has been vitiated.
কোন সাক্ষী আসবে, কি কথা বলবে এসব পরামর্শ নেওয়ার কোন নজীর পৃথিবীর ইতিহাসে নেই। কোন বিচার আগে হবে, কার রায় আগে হবে এগুলোকি আইনে আছে? বিবিসির জিজ্ঞাসার কোন সন্তোষজনক জবাব কামরুল দিতে পারেন নি।


৪. বিভিন্ন সময়ে সাক্ষ্য-গ্রহণ, বিভিন্ন রায় প্রদান ইত্যাদি হতে থেকেছে অ-নিরপেক্ষ চেয়ারম্যানের অধীনে। ফলে প্রক্রিয়াটা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এমনকি রাষ্ট্রপক্ষ সাক্ষী সাজিয়ে এনেছে এবং অনেক সাক্ষীকে তাদের বিরুদ্ধে যাবে- ধারণা করে সামর্থ্য থাকা সত্বেও হাজির করে নি।। বিভিন্ন ঘোরতর অপরাধীদের ও বানানো হয়েছে রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী।

৫. নিজুমুল হককে নিয়োগও দেওয়া হয়েছিল বেআইনীভাবে। তিনি ছিলেন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি যা এ পদের সাথে সামন্জস্যপূর্ণ নয়। এছাড়াও তিনি পূর্বেও ঘাদানিক ও গণ তদন্ত কমিশনেরে সাথে জড়িত ছিলেন। তদুপরি আইনজীবি, তদন্ত কর্মকর্তারাও সবাই দলীয় ও একপেশে লোক। এদেরকে সরিয়ে নিরপেক্ষ লোক দিতে হবে।

৬. বর্তমান বিচারে শুধু বিশেষ এক রাজনৈতিক দলের বিচার হচ্ছে। অথচ আওয়ামী লীগেও যুদ্ধাপরাধী আছে। তাদেরকেও বিচারের আওতায় আনতে হবে।

৭. আসিফ নজরুলের ভাষায় ট্রাইবুনালে অপরাধের সংজ্ঞাই দেওয়া হয়নি। কত বছর বয়সে করে থাকলে সেটা অপরাধ ইত্যাদি বিষয়ক অনেকগুলো বিধান সুস্পষ্ট করতে হবে।

৮. মূল যুদ্ধাপরাধী পাকী বাহিনী। তাদের বিচার না করে বিচার শুরু করা হাস্যকর। তাই নতুন করে বিচার শুরু করে সত্যিকারের আন্তর্জাতিক রূপ দিতে হবে।

৯.। শুরু থেকেই ট্রাইবুনালের যে মারাত্মক ত্রুটি ছিল তার দূর করতে হবে

0 মন্তব্য:

একটি নতুন মন্তব্য যোগ করুন

মন্তব্যে ইউটিউব ভিডিও যোগ করতে [youtube]YOUTUBE-VIDEO-URL[/youtube] ও ছবি দিতে [img]IMAGE-URL[/img] কোড বসান

যুদ্ধাপরাধের বিচার

সকল পোস্ট

ইমেইলে গ্রাহক হোন

আসসালামু আলাইকুম। এই ব্লগে আপনাকে স্বাগতম। ব্লগটি পছন্দ হলে একে ছড়িয়ে দিতে লাইক দিন। নির্দিষ্ট কোন পোস্ট সোশ্যাল নেটওয়ার্কে শেয়ার করতে পোস্টে পবেশের পর সোশ্যাল শেয়ার আইকনে ক্লিক করুন। ব্লগটির মানোন্নয়নে আপনার সুচিন্তিত পরামর্শ দিতে পারেন। (ক্লিক করুন)
 
 
 

ভিডিও গ্যালারি

ছাত্রলীগ

সকল পোস্ট

সামাজিক যোগাযোগ-ফেসবুক

sharethis

ছাত্রসংবাদ