কেন্দ্রীয় ওয়েবসাইট প্রথম পাতা
ভিজিট করুন আমার নতুন ও স্হায়ী ব্লগ www.alomoy.com/

আসুন সবাই আমার দেশ কিনি, নেটে পড়লেও

সংবাদপত্রের জগতে আদর্শবাদীতার এক উজ্জ্ব দৃষ্টান্ত আমার দেশ। কিন্তু পত্রিকাটির স্পষ্টবাদীতা কোন কোন মহল সহ্য করতে পারছে না। সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের ভাষায় -
সরকার আমার দেশ-এ বিজ্ঞাপন প্রদানের ওপর যে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে, তার প্রভাব বেসরকারি খাতেও পড়েছে। বিজ্ঞাপনদাতারা তাদের অসহায়ত্বের কথা জানিয়ে বলেছেন, এই পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিলেই নাকি বিশেষ এজেন্সি থেকে তাদের কাছে ফোন যায়, সরকারের অন্যান্য সংস্থাও ব্যবসা পরিচালনায় নানাভাবে হয়রানি করে। বিজ্ঞাপন ছাড়া একটি পত্রিকার বেঁচে থাকা যে কত কঠিন, সেটি ভুক্তভোগী মাত্রই জানেন। পরিবারের আয়ের একমাত্র উত্স সিরামিক কারখানাটি আমার কারাবন্দী অবস্থায় বিক্রি করে তারই টাকা দিয়ে এতদিন আমার দেশ টিকিয়ে রেখেছি। আমার আর কোনো ব্যবসা নেই, পড়ন্ত বেলায় নতুন করে চাকরি করার সুযোগ নেই, গণবিরোধী করপোরেট স্বার্থের ধামাধরা হয়ে পত্রিকা চালানোও আমার নীতিবিরুদ্ধ।
এদিকে কাগজ, কালিসহ ছাপার প্রতিটি উপকরণের মূল্য প্রতি মাসেই হু হু করে বেড়ে চলেছে। সরকার ইতোমধ্যে সাংবাদিকদের জন্য যে ৫০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা ঘোষণা করেছে, সেটা বৈধ-অবৈধ পথে অর্জিত বেশুমার ধন-দৌলতের অধিকারী মালিকদের পত্রিকায় অদ্যাবধি কার্যকর করা না হলেও আমার দেশ কর্তৃপক্ষ সাংবাদিকদের স্বল্প আয়ে জীবনযুদ্ধের বিষয়টি বিবেচনা করে জানুয়ারি মাসের ১ তারিখ থেকেই বেতন বৃদ্ধি করেছে। সব মিলিয়ে আমার দেশ চরম আর্থিক সঙ্কটে পতিত হয়েছে। এ অবস্থায় কেবল টিকে থাকার প্রয়োজনে ফেব্রুয়ারি মাসের ১৫ তারিখ থেকে পত্রিকাটির দাম ২ টাকা বাড়িয়ে ১২ টাকা করতে বাধ্য হচ্ছি। আমি জানি, ২০ কিংবা ২৪ পাতার রঙচঙে অনেক দৈনিক পত্রিকার দাম এখনও ৮ টাকা। কিন্তু সেসব পত্রিকার মালিকরা অগাধ অর্থবিত্তের অধিকারী। বিজ্ঞাপন পেতেও তাদের ওপর কোনো সরকারি বাধা নেই। শুনেছি, অনেকে নাকি বিভিন্ন পন্থায় বিদেশি সূত্র থেকে নানারকম সহায়তাও পেয়ে থাকেন। সুতরাং, তারা যেটি পারেন সে কাজ আমাদের পক্ষে করা সম্ভব হয় না।
আমি বুঝি, ক্রেতার পক্ষে ১২ টাকা দেয়াটাও একটা উটকো ঝামেলার ব্যাপার। অনেক সময় পকেটে খুচরো দু’টাকার নোট থাকেও না। এই বাস্তবতা জানা সত্ত্বেও একান্ত নিরুপায় হয়ে পাঠক হারানোর ঝুঁকি নিয়েও আমাকে এই অপ্রিয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হচ্ছে। পাঠকদের ওপর অতিরিক্ত এই বোঝা চাপানোর জন্য দুই হাত জোড় করে ক্ষমা চেয়ে রাখছি। যেসব পাঠক বর্তমানের বৈরী পরিস্থিতিতেও সত্য সংবাদ প্রকাশের লড়াইয়ে রত দৈনিকটিকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য প্রতিদিন দুটি করে টাকা অতিরিক্ত খরচ করবেন, তাদের কাছে আগাম কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আমার আবেদন সমাপ্ত করছি। আল্লাহ্ আপনাদের হেফাজত করুন।
—মাহমুদুর রহমান


তাই আসুন এ পত্রিকাটি বাঁচিয়ে রাখতে মাসে ৩৬০ টাকা খরচ করি। চিন্তা করুন ৩৬০ টাকা খুব বেশি নয়। কত কাজে, ফোনেই কত টাকা খরচ হয়ে যায়।
কিন্তু এমন যেন না হয় আমরা ৩৬০ টাকার ভয়ে হাত গুটিয়ে রাখলাম আর পরবর্তী প্রজন্ম পড়বে এক করুণ ইতিহাস যে দেশের একটি স্পষ্টবাদী ও সত্যের ধ্বজাধারী পত্রিকা অসৎ মহলের রোষানলে পড়ে এবং স্বার্থপর পাঠকের অবহেলায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।
তাই যারা নেটেই পড়েন তারাও একটি পত্রিকা ১২ টাকা দিয়ে কিনুন। দেখবেন ইনশা'আল্লাহ সমস্যা হবে না। খেয়াল করে থাকবেন আমার দেশের অনলাইনেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা সত্বেও বিজ্ঞাপন কিন্তু নেই বললেই চলে। কারণ একই হতে পারে যা প্রিয় কলামিস্ট মাহমুদুর রহমান বলেছেন।
অনলাইনে পড়ুন

0 মন্তব্য:

একটি নতুন মন্তব্য যোগ করুন

মন্তব্যে ইউটিউব ভিডিও যোগ করতে [youtube]YOUTUBE-VIDEO-URL[/youtube] ও ছবি দিতে [img]IMAGE-URL[/img] কোড বসান

যুদ্ধাপরাধের বিচার

সকল পোস্ট

ইমেইলে গ্রাহক হোন

আসসালামু আলাইকুম। এই ব্লগে আপনাকে স্বাগতম। ব্লগটি পছন্দ হলে একে ছড়িয়ে দিতে লাইক দিন। নির্দিষ্ট কোন পোস্ট সোশ্যাল নেটওয়ার্কে শেয়ার করতে পোস্টে পবেশের পর সোশ্যাল শেয়ার আইকনে ক্লিক করুন। ব্লগটির মানোন্নয়নে আপনার সুচিন্তিত পরামর্শ দিতে পারেন। (ক্লিক করুন)
 
 
 

ভিডিও গ্যালারি

ছাত্রলীগ

সকল পোস্ট

সামাজিক যোগাযোগ-ফেসবুক

sharethis

ছাত্রসংবাদ